
আজকে প্রকাশিত ১ম মেধাতালিকায় যারা পছন্দের কলেজে পছন্দের বিষয় পেয়েছো তারা চোখ বুজে ভর্তি হয়ে পড়ো।

যারা পছন্দের কলেজ পেলেও পছন্দের বিষয় আসে নি, অর্থাৎ চয়েজ দেওয়া প্রথম বিষয় আসে নি তারাও ভর্তি হয়ে পাশাপাশি মাইগ্রেশন অন করে রাখতে পারো। এতে করে পরবর্তী মেধাতালিকা দিলে আসন ফাঁকা সাপেক্ষে তুমার পছন্দের বিষয় আসতে পারে। তবে মেধাতালিকায় তুমার চয়েজ করা শেষের বিষয় আসবে না। আসলে প্রথম গুলোর থেকে একটা আসবে। অথবা না আসলে আগের ব
িষয় বহাল থাকবে।

যাদের কলেজ ও বিষয় আসলেও ভাবছো এই কলেজে পড়বে না তাহলে ভর্তি হওয়ার দরকার নেই। পরবর্তীতে রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে অন্য কলেজ ও বিষয়ে আবেদন করতে পারবে।

চান্স পেয়েও যারা ভর্তি হবে না তাদের আসন বাতিল বলে গণ্য হবে। তখন অন্য কলেজে রিলিজ স্লিপের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

যারা ভর্তি পরীক্ষায় পাশ করলেও কলেজ ও বিষয় আসে নি তাদের হতাশ হওয়ার কিছু নেই। ১ম মেধাতালিকার ভর্তির পর যে আসন ফাঁকা থাকবে তার ভিত্তিতে ২য় মেধাতালিকা প্রকাশ হবে। জিপিএ ও ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল, ভাগ্য ভালো হলে আসতে পারে।

২য় মেধাতালিকার পর কোটা মেধাতালিকা প্রকাশিত হবে।

কোটা মেধাতালিকার ভর্তি শেষে রিলিজ স্লিপের আবেদন চলবে। তখন যারা পাশ করার পরেও চান্স পায় নি, চান্স পেয়েও ভর্তি হয় নি তারা সকলেই যেকোনো পাঁচটি কলেজে যেকোনো বিষয়ে আবেদন করতে পারবে।

১ম মেধাতালিকায় যারা চান্স পেয়েছে তাদের ভর্তি আগামী ২৮ জুন ২০২৫ তারিখ থেকে শুরু। চলবে ১৫/০৭/২০২৫ তারিখ পর্যন্ত। এরপর জুলাই মাসের শেষ দিকে বা মে মাসের ১ম সপ্তাহে ২য় মেধাতালিকা দিবে ইনশাআল্লাহ।

১ম মেধাতালিকায় যারা চান্স পাও নাই তাদের ২য় মেধাতালিকার জন্য আবেদন করতে হবে না। অটোমেটিক মেধাতালিকা আসবে। কিন্তু সেখানেও সুযোগ না পেলে অবশ্যই রিলিজ স্লিপের আবেদন করতে হবে।

১ম মেধাতালিকায় সুযোগ পেয়েও যারা ভর্তি হবে না ২য় মেধাতালিকায় তাদের কোন সুযোগ নেই। সরাসরি রিলিজ স্লিপে আবেদন করতে হবে।

রিলিজ স্লিপে আবেদন করার সময় অবশ্যই বুঝেশুনে করতে হবে। যাদের জিপিএ কম বা ভর্তি পরীক্ষা তেমন ভালো হয়নি তারা উপজেলা পর্যায়ে কলেজে আবেদন করতে পারো। আর যারা একেবারেই কম নম্বর পেয়েছো বা জিপিএ কম তারা নতুন কলেজ, বেসরকারি কলেজ ও তুলনামূলক কম জনপ্রিয় কলেজে আবেদন করতে পারো।

১ম মেধাতালিকা, এরপর ২য় মেধাতালিকা। ২য় মেধাতালিকা এরকম আনুমানিক ১০ দিন ভর্তি চলবে। ভর্তি শেষে কিছুদিন পর কোটা মেধাতালিকা দিবে। কোটা মেধাতালিকার পর ১ম রিলিজ স্লিপ ও এরপর সর্বশেষ ২য় রিলিজ স্লিপ।

ভর্তি পরীক্ষায় যাদের পাশ মার্ক আসে নি তাদের অনার্সে ভর্তির আর সুযোগ নেই। তবে যেহেতু প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থী ফেল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় চাইলে ৩০ নম্বরের উপর যাদের আছে তাদের সুযোগ দিতে পারে যদি আসন ফাঁকার পরিমাণ অনেক থাকে। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত। তবে এরকমটা না হওয়ায় সম্ভাবনা বেশি।

যারা ফেল করেছো তারা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বা উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে ডিগ্রি পাস কোর্স করতে পারো। ডিগ্রি করে তুমি মাস্টার্স করলে অনার্স শেষ করে মাস্টার্স করুয়ার সমমান তুমি।

এখন যেহেতু সব কলেজেই নিয়মিত ক্লাস করতে হবে তাই কলেজ খুব বেশি একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। কারন তুমি যে কলেজেই পড়ো না কেন মান একই। কারন সনদ দিবে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ই। তাই ভর্তি আগে কলেজের খরচটুকু জেনে নিও।

আর হ্যাঁ ভর্তির জন্য তো অনেক কলেজ এসএসসি ও এইচএসসির মূল নম্বরপত্র জমা নিবে। অন্ততপক্ষে ফটোকপি করে রেখে দিও। পরবর্তীতে কাজে দিবে।